ঢাকা    রোববার, ২৪ মে ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি, স্বস্তির সঙ্গে রাজধানীতে ভোগান্তি


প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি, স্বস্তির সঙ্গে রাজধানীতে ভোগান্তি

রাত থেকেই ঘন কালো মেঘে ঢেকে ছিল আকাশ। ভোরের আলো ফোটার আগেই ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা। বুধবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে কিছু সময়ের মধ্যেই সড়ক ও আশপাশের এলাকা পানিতে ভিজে একাকার হয়ে পড়ে।

হঠাৎ এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবীরা। বাড্ডা, নতুনবাজার, নদ্দা, রামপুরা, পল্টন, মতিঝিল ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই বৃষ্টির প্রভাব দেখা যায়। অনেকেই ছাতা ছাড়া বের হয়ে পড়ায় আশ্রয় নেন দোকানপাট বা ভবনের নিচে। যাদের কাছে ছাতা ছিল, তারাও পুরোপুরি স্বস্তি পাননি। শরীরের ওপরের অংশ রক্ষা পেলেও নিচের অংশ, বিশেষ করে প্যান্ট ও জুতা ভিজে যায়।

নতুনবাজার এলাকায় গণপরিবহনে ওঠা যাত্রীদের ভেজা কাপড়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে, কারণ বৃষ্টির সঙ্গে ছিল মেঘাচ্ছন্ন অন্ধকার পরিবেশ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

হঠাৎ বৃষ্টিতে নগরজীবনে সাময়িক ছন্দপতন ঘটলেও গরমের মধ্যে এই বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে মনে করছেন নগরবাসী।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


ভোর থেকেই ঝুম বৃষ্টি, স্বস্তির সঙ্গে রাজধানীতে ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাত থেকেই ঘন কালো মেঘে ঢেকে ছিল আকাশ। ভোরের আলো ফোটার আগেই ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা। বুধবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে কিছু সময়ের মধ্যেই সড়ক ও আশপাশের এলাকা পানিতে ভিজে একাকার হয়ে পড়ে।

হঠাৎ এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবীরা। বাড্ডা, নতুনবাজার, নদ্দা, রামপুরা, পল্টন, মতিঝিল ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই বৃষ্টির প্রভাব দেখা যায়। অনেকেই ছাতা ছাড়া বের হয়ে পড়ায় আশ্রয় নেন দোকানপাট বা ভবনের নিচে। যাদের কাছে ছাতা ছিল, তারাও পুরোপুরি স্বস্তি পাননি। শরীরের ওপরের অংশ রক্ষা পেলেও নিচের অংশ, বিশেষ করে প্যান্ট ও জুতা ভিজে যায়।

নতুনবাজার এলাকায় গণপরিবহনে ওঠা যাত্রীদের ভেজা কাপড়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে, কারণ বৃষ্টির সঙ্গে ছিল মেঘাচ্ছন্ন অন্ধকার পরিবেশ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

হঠাৎ বৃষ্টিতে নগরজীবনে সাময়িক ছন্দপতন ঘটলেও গরমের মধ্যে এই বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে মনে করছেন নগরবাসী।



দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত