ঢাকা    রোববার, ২৪ মে ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে সরকার


প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে সরকার

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের চিন্তা রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে মূল বেতনের অর্ধেক বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, বাকি অর্ধেক বেতন ও বিভিন্ন ভাতা পরবর্তী দুই অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। পুরো কাঠামো দুই বছরে বাস্তবায়নের বিকল্প পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই রূপরেখা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আগামী বাজেট থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে।

জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। কমিশন একাধিক ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল, যাতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়তে পারে, তাই ধাপে বাস্তবায়নই বেশি বাস্তবসম্মত।

নতুন প্রস্তাবে শুধু বেতন নয়, স্বাস্থ্যবীমা, পেনশন সংস্কার, ভাতা পুনর্বিন্যাস এবং কল্যাণমূলক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ও রয়েছে। প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য ভাতা, টিফিন ও বৈশাখী ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারের ব্যয় বাড়লেও কর আদায় বাড়ানো এবং কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের চিন্তা রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে মূল বেতনের অর্ধেক বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, বাকি অর্ধেক বেতন ও বিভিন্ন ভাতা পরবর্তী দুই অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। পুরো কাঠামো দুই বছরে বাস্তবায়নের বিকল্প পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই রূপরেখা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আগামী বাজেট থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে।

জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। কমিশন একাধিক ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল, যাতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়তে পারে, তাই ধাপে বাস্তবায়নই বেশি বাস্তবসম্মত।

নতুন প্রস্তাবে শুধু বেতন নয়, স্বাস্থ্যবীমা, পেনশন সংস্কার, ভাতা পুনর্বিন্যাস এবং কল্যাণমূলক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ও রয়েছে। প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য ভাতা, টিফিন ও বৈশাখী ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারের ব্যয় বাড়লেও কর আদায় বাড়ানো এবং কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।



দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত