ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

নির্বাচন

নির্বাচনী লড়াইয়ে জামায়াতের লক্ষ্য এবার ১২ সিটিতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পুরো দৃষ্টি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এটিকে ‘দ্বিতীয় লড়াই’ হিসেবে দেখছে। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে, বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দেশের ১২ সিটি করপোরেশনকে।আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের ১৮০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের জুনে। নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর সারা দেশে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।জামায়াতের ১৪টি অঞ্চলের পরিচালকরা জেলা ও উপজেলার আমির, সেক্রেটারিসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে বসে প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন। ঢাকার দুই সিটিকে বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে। তৃণমূলের মতামত ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা বিচার করে প্রার্থী বাছাই করা হবে। কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও স্থানীয় শাখাগুলোকে সমন্বিতভাবে তিন সদস্যের প্যানেল পাঠাতে বলা হয়েছে, যা যাচাই করে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জেলা, সিটি, উপজেলা ও পৌরসভা মেয়রদের অপসারণ করায় প্রশাসক নিয়োগে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, যারা সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, তারা স্থানীয় নির্বাচনে অগ্রাধিকার পেতে পারেন।স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রার্থীদের আলাদা প্রতীকে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে আইন পাসের পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।১২ সিটি করপোরেশনকে ঘিরে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করে জামায়াত স্থানীয় সরকারের দ্বিতীয় লড়াই শুরু করতে যাচ্ছে।এসএইচ 

নির্বাচনী লড়াইয়ে জামায়াতের লক্ষ্য এবার ১২ সিটিতে