রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেন দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
এর আগে নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা বিএনপির কয়েকজন নেতা–কর্মীকে দেখতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান ববি হাজ্জাজ। সেখানে তিনি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য করেন।
দলের বিবৃতিতে বলা হয়, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হত্যাচেষ্টা মামলার হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। জনগণের স্পষ্ট রায়কে আড়াল করতেই অপপ্রচার ও মামলা–হুমকির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঢাকা–১৩ আসনে মামুনুল হকের রিকশা প্রতীকের পক্ষে বিপুল জনসমর্থন দৃশ্যমান হওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র ফলাফল বিকৃতির নীলনকশা বাস্তবায়ন করে। অসংখ্য বৈধ ভোট অবৈধ ঘোষণা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ওভাররাইটিং এবং চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ্য ফলাফল ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে প্রায় ২০ মিনিট ধরে মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণা করার পর হঠাৎ সংশোধিত ফলাফল প্রচার জনমনে গভীর সন্দেহ সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করা হয়।
নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল ও ফলাফল স্থগিতের অনুরোধ সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আরও বলেছে, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মামুনুল হককে দমনে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও চরিত্রহননের কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। এখন একই ধারার পুনরাবৃত্তির চেষ্টা চলছে বলে তাদের অভিযোগ। পাশাপাশি, ফ্যাসিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনা–র পরিবারের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে বিবৃতিতে।
এসএইচ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেন দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
এর আগে নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা বিএনপির কয়েকজন নেতা–কর্মীকে দেখতে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান ববি হাজ্জাজ। সেখানে তিনি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য করেন।
দলের বিবৃতিতে বলা হয়, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হত্যাচেষ্টা মামলার হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। জনগণের স্পষ্ট রায়কে আড়াল করতেই অপপ্রচার ও মামলা–হুমকির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঢাকা–১৩ আসনে মামুনুল হকের রিকশা প্রতীকের পক্ষে বিপুল জনসমর্থন দৃশ্যমান হওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র ফলাফল বিকৃতির নীলনকশা বাস্তবায়ন করে। অসংখ্য বৈধ ভোট অবৈধ ঘোষণা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ওভাররাইটিং এবং চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ্য ফলাফল ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে প্রায় ২০ মিনিট ধরে মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণা করার পর হঠাৎ সংশোধিত ফলাফল প্রচার জনমনে গভীর সন্দেহ সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করা হয়।
নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল ও ফলাফল স্থগিতের অনুরোধ সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আরও বলেছে, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মামুনুল হককে দমনে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও চরিত্রহননের কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। এখন একই ধারার পুনরাবৃত্তির চেষ্টা চলছে বলে তাদের অভিযোগ। পাশাপাশি, ফ্যাসিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনা–র পরিবারের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে বিবৃতিতে।
এসএইচ

আপনার মতামত লিখুন