জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের অফিস সহায়ক মামুনুর রশিদ ও শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান এর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার ( ৭ মে) বিকেলে কালাই উপজেলার আঁওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক এর অফিস কক্ষে এ হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ জানান, ২০২৫ সালে হুমায়রা নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিল। সে সময় বিজ্ঞান বিভাগে রেজিস্ট্রেশন হয়। পরে কোনো একসময় একা একাই সে মানবিক বিভাগে যায় । এবিষয়ে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ কেউ অবগত নয়। স্কুলে বিরতি দেওয়ার পর তিনিও চলে যান পরে অফিসে আসলে জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে জাহিদ হামলা ভাঙচুর চালায় ।
হামলার বিষয়ে হুমাইরার ভাই জাহিদ জানান, তিনি আর তাঁর বাবা জাহাঙ্গীর হুমাইরার রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে কথা বলতেই প্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলেন। হামলার ঘটনা তারা জানেন না। অফিস সহকারী এবং শিক্ষকরা হামলা-ভাঙচুর করে তাদের উপর দোষ দিচ্ছেন।
শিক্ষার্থী হুমাইরা জানান, নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় বিজ্ঞান বিভাগ লেখাপড়া করি । কিছুদিন পর লেখাপড়া কঠিন হয়ে এজন্যই স্যারদের জানিয়ে মানবিক বিভাগে লেখাপড়া করি । আজকে রেজিঃ বিষয়ে অফিসে গিয়ে কথা বলার সময় একটু কথাকাটাকাটি হয়।পরে বাসায় এসে বাবাকে বলেন তিনি এর পর স্কুলে কি হয়েছে জানেন না।
এ ব্যাপারে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. জাবেদ ইকবাল হাসানের সাথে কথা বলতে চাইলে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে কালাই থানার সাব ইন্সপেক্টর আমিনুর ইসলাম জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস সহায়কের অফিস কক্ষ তালা দিয়ে বদ্ধ করা । পরে স্থানীয়দের উপস্থিতি তালা কেটে রুমে প্রবেশ করে এলোমেলো ও ভাংচুর অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এবিষয়ে এখনও কেউই অভিযোগ করেননি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের অফিস সহায়ক মামুনুর রশিদ ও শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান এর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার ( ৭ মে) বিকেলে কালাই উপজেলার আঁওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক এর অফিস কক্ষে এ হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
অফিস সহকারী মামুনুর রশিদ জানান, ২০২৫ সালে হুমায়রা নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিল। সে সময় বিজ্ঞান বিভাগে রেজিস্ট্রেশন হয়। পরে কোনো একসময় একা একাই সে মানবিক বিভাগে যায় । এবিষয়ে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ কেউ অবগত নয়। স্কুলে বিরতি দেওয়ার পর তিনিও চলে যান পরে অফিসে আসলে জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে জাহিদ হামলা ভাঙচুর চালায় ।
হামলার বিষয়ে হুমাইরার ভাই জাহিদ জানান, তিনি আর তাঁর বাবা জাহাঙ্গীর হুমাইরার রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে কথা বলতেই প্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলেন। হামলার ঘটনা তারা জানেন না। অফিস সহকারী এবং শিক্ষকরা হামলা-ভাঙচুর করে তাদের উপর দোষ দিচ্ছেন।
শিক্ষার্থী হুমাইরা জানান, নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় বিজ্ঞান বিভাগ লেখাপড়া করি । কিছুদিন পর লেখাপড়া কঠিন হয়ে এজন্যই স্যারদের জানিয়ে মানবিক বিভাগে লেখাপড়া করি । আজকে রেজিঃ বিষয়ে অফিসে গিয়ে কথা বলার সময় একটু কথাকাটাকাটি হয়।পরে বাসায় এসে বাবাকে বলেন তিনি এর পর স্কুলে কি হয়েছে জানেন না।
এ ব্যাপারে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. জাবেদ ইকবাল হাসানের সাথে কথা বলতে চাইলে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে কালাই থানার সাব ইন্সপেক্টর আমিনুর ইসলাম জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অফিস সহায়কের অফিস কক্ষ তালা দিয়ে বদ্ধ করা । পরে স্থানীয়দের উপস্থিতি তালা কেটে রুমে প্রবেশ করে এলোমেলো ও ভাংচুর অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এবিষয়ে এখনও কেউই অভিযোগ করেননি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন