টানা অতিবৃষ্টিতে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পারসোমবাড়ী-সেনপাড়া সড়কের বেগুনজোয়ার এলাকায় সড়কের একটি অংশ ধসে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দুর্ভোগে পড়েছেন এই সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষ। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি ধসে যাওয়ায় সড়কের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। বর্তমানে গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে। ফলে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
সড়কসংলগ্ন বাসিন্দারা জানান, ভাঙা অংশ দিয়ে পানির প্রবাহ কমাতে তারা সাময়িকভাবে আবর্জনা ফেলেছেন। এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ভ্যান ও রিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল করছে। দ্রুত সংস্কার না হলে যেকোনো সময় পুরো সড়কটি যোগাযোগের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।
পথচারী জাহাঙ্গীর আলম ও এক অটোরিকশা চালক বলেন, শুধু ধসে যাওয়া অংশ নয়, সড়কের আরও কয়েকটি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই আংশিক মেরামতের পরিবর্তে পুরো সড়কের সংস্কার জরুরি।
আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম পল্টন বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ছবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।”
উপজেলা প্রকৌশলীর পদ শূন্য থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট এসওকে পাঠানো হয়েছে।”
নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বদরুদ্দোজা বলেন, “ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, বিলম্ব হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
টানা অতিবৃষ্টিতে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পারসোমবাড়ী-সেনপাড়া সড়কের বেগুনজোয়ার এলাকায় সড়কের একটি অংশ ধসে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দুর্ভোগে পড়েছেন এই সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষ। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি ধসে যাওয়ায় সড়কের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। বর্তমানে গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে। ফলে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
সড়কসংলগ্ন বাসিন্দারা জানান, ভাঙা অংশ দিয়ে পানির প্রবাহ কমাতে তারা সাময়িকভাবে আবর্জনা ফেলেছেন। এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ভ্যান ও রিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল করছে। দ্রুত সংস্কার না হলে যেকোনো সময় পুরো সড়কটি যোগাযোগের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।
পথচারী জাহাঙ্গীর আলম ও এক অটোরিকশা চালক বলেন, শুধু ধসে যাওয়া অংশ নয়, সড়কের আরও কয়েকটি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই আংশিক মেরামতের পরিবর্তে পুরো সড়কের সংস্কার জরুরি।
আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম পল্টন বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ছবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।”
উপজেলা প্রকৌশলীর পদ শূন্য থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট এসওকে পাঠানো হয়েছে।”
নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বদরুদ্দোজা বলেন, “ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, বিলম্ব হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন