জার্মানিতে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। ক্ষমতাসীন জোটের শরিক সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এসপিডি দ্রুত আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে।
ক্ষমতাসীন কোটের প্রধান দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নও রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দলীয় সম্মেলনে এ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি এখন সংসদে আইন আকারে পাসের অপেক্ষায়।
এসপিডির সাধারণ সম্পাদক টিম ক্লুসেনডর্ফ রোববার বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় দ্রুত ও স্পষ্ট আইন প্রয়োজন। তিনি জানান, তাদের দল ইতোমধ্যে বয়সসীমা নির্ধারণ ও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে।
দলটির সংসদীয় দলের নেতা ডির্ক ভাইসে বলেন, এখন দ্রুত বুন্ডেসটাগে (জার্মান পার্লামেন্ট) একটি নির্দিষ্ট আইন পাস করা উচিত। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি তৈরি করে এমন অ্যালগরিদম ও বুলিং শিশু-কিশোরদের জন্য বড় ঝুঁকি।
জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে অনুষ্ঠিত দলীয় সম্মেলনে সিডিইউ ১৪ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণ করে। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ নিয়ম এড়িয়ে গেলে বা অবহেলা করলে তাদের কঠোর জরিমানা গুনতে হতে পারে। তবে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম হবে, সে বিষয়ে সিডিইউ কিছুটা অস্পষ্ট রয়েছে।
এসপিডি প্রস্তাব দিয়েছে, ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিশেষ যুব সংস্করণ চালু করতে হবে। এতে অন্তহীন স্ক্রলিংয়ের মতো আসক্তি তৈরি করে এমন ফিচার থাকবে না। কিন্তু বয়স যাচাই কীভাবে কার্যকরভাবে করা হবে, সে প্রশ্ন এখনো খোলাসা হয়নি।
শিশু ও কিশোর চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অনেক তরুণের মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে।
অন্যদিকে, ফেডারেল স্টুডেন্টস কনফারেন্স বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস। নিষেধাজ্ঞার বদলে সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানো বেশি জরুরি।
এসএইচ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জার্মানিতে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। ক্ষমতাসীন জোটের শরিক সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এসপিডি দ্রুত আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে।
ক্ষমতাসীন কোটের প্রধান দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নও রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দলীয় সম্মেলনে এ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি এখন সংসদে আইন আকারে পাসের অপেক্ষায়।
এসপিডির সাধারণ সম্পাদক টিম ক্লুসেনডর্ফ রোববার বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় দ্রুত ও স্পষ্ট আইন প্রয়োজন। তিনি জানান, তাদের দল ইতোমধ্যে বয়সসীমা নির্ধারণ ও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে।
দলটির সংসদীয় দলের নেতা ডির্ক ভাইসে বলেন, এখন দ্রুত বুন্ডেসটাগে (জার্মান পার্লামেন্ট) একটি নির্দিষ্ট আইন পাস করা উচিত। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি তৈরি করে এমন অ্যালগরিদম ও বুলিং শিশু-কিশোরদের জন্য বড় ঝুঁকি।
জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে অনুষ্ঠিত দলীয় সম্মেলনে সিডিইউ ১৪ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণ করে। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ নিয়ম এড়িয়ে গেলে বা অবহেলা করলে তাদের কঠোর জরিমানা গুনতে হতে পারে। তবে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম হবে, সে বিষয়ে সিডিইউ কিছুটা অস্পষ্ট রয়েছে।
এসপিডি প্রস্তাব দিয়েছে, ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিশেষ যুব সংস্করণ চালু করতে হবে। এতে অন্তহীন স্ক্রলিংয়ের মতো আসক্তি তৈরি করে এমন ফিচার থাকবে না। কিন্তু বয়স যাচাই কীভাবে কার্যকরভাবে করা হবে, সে প্রশ্ন এখনো খোলাসা হয়নি।
শিশু ও কিশোর চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অনেক তরুণের মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে।
অন্যদিকে, ফেডারেল স্টুডেন্টস কনফারেন্স বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস। নিষেধাজ্ঞার বদলে সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানো বেশি জরুরি।
এসএইচ

আপনার মতামত লিখুন