তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক নিয়ে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা হলো—অনেকে মনে করেন, শুধুমাত্র দীর্ঘসময় রোদে থাকলেই হিট স্ট্রোক হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বাস্তবে, ঘরের ভেতরেও হিট স্ট্রোক হতে পারে যদি পরিবেশটি হয় বদ্ধ, গরম ও আর্দ্র।
শুধু বাইরে রোদে থাকাই নয়, বাতাস চলাচলহীন ঘরে দীর্ঘসময় অবস্থান করলেও শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। এমনকি বিশ্রামে থাকা অবস্থায় বা রাতের সময়ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকতে পারে।
হিট স্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় রক্তনালিগুলো প্রসারিত হয়ে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, তীব্র মাথাব্যথা, বুকে চাপ অনুভব, হাত-পায়ে দুর্বলতা ও অস্বস্তি। অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে পড়ে যেতে পারেন, এমনকি রক্তচাপও হঠাৎ কমে যেতে পারে।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পরিবেশে সরিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখা, ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ভেজানো এবং কাপড় ঢিলা করে দেওয়া উচিত। পাশাপাশি দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে শুধু রোদ এড়িয়ে চলাই যথেষ্ট নয়। ঘরের ভেতরেও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘসময় থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ছাড়া নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান, ওরাল স্যালাইন (ORS) গ্রহণ এবং শরীর ঠান্ডা রাখার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে মাঝে মাঝে ঠান্ডা পানিতে গোসল বা শরীর ভেজানো উপকারী হতে পারে।
সচেতনতা ও সময়মতো সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমেই হিট স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী ঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক নিয়ে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা হলো—অনেকে মনে করেন, শুধুমাত্র দীর্ঘসময় রোদে থাকলেই হিট স্ট্রোক হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বাস্তবে, ঘরের ভেতরেও হিট স্ট্রোক হতে পারে যদি পরিবেশটি হয় বদ্ধ, গরম ও আর্দ্র।
শুধু বাইরে রোদে থাকাই নয়, বাতাস চলাচলহীন ঘরে দীর্ঘসময় অবস্থান করলেও শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। এমনকি বিশ্রামে থাকা অবস্থায় বা রাতের সময়ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকতে পারে।
হিট স্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় রক্তনালিগুলো প্রসারিত হয়ে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, তীব্র মাথাব্যথা, বুকে চাপ অনুভব, হাত-পায়ে দুর্বলতা ও অস্বস্তি। অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে পড়ে যেতে পারেন, এমনকি রক্তচাপও হঠাৎ কমে যেতে পারে।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পরিবেশে সরিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখা, ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ভেজানো এবং কাপড় ঢিলা করে দেওয়া উচিত। পাশাপাশি দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে শুধু রোদ এড়িয়ে চলাই যথেষ্ট নয়। ঘরের ভেতরেও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘসময় থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ছাড়া নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান, ওরাল স্যালাইন (ORS) গ্রহণ এবং শরীর ঠান্ডা রাখার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে মাঝে মাঝে ঠান্ডা পানিতে গোসল বা শরীর ভেজানো উপকারী হতে পারে।
সচেতনতা ও সময়মতো সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমেই হিট স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী ঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন