ফেনীতে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য আসামি মো. আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত ও মামলার বাদী ফেনীর দ্গনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন আহাম্মদ।
ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামে ভুক্তভোগীর নিজ ঘরে ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা করেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ফেনীতে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য আসামি মো. আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত ও মামলার বাদী ফেনীর দ্গনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন আহাম্মদ।
ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামে ভুক্তভোগীর নিজ ঘরে ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা করেন।

আপনার মতামত লিখুন