ঢাকা    শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের জেল



গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের জেল
সংগৃহীত ছবি

ফেনীতে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য আসামি মো. আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত ও মামলার বাদী ফেনীর দ্গনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা। 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন আহাম্মদ।

ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামে ভুক্তভোগীর নিজ ঘরে ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা করেন। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের জেল

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

ফেনীতে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য আসামি মো. আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত ও মামলার বাদী ফেনীর দ্গনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামের বাসিন্দা। 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন আহাম্মদ।

ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ বারাহীপুর গ্রামে ভুক্তভোগীর নিজ ঘরে ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা করেন। 


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত