ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

২০৩০ বিশ্বকাপ: মরক্কোকে বাদ দেওয়ার সুর স্পেনে!



২০৩০ বিশ্বকাপ: মরক্কোকে বাদ দেওয়ার সুর স্পেনে!
ছবি: সংগৃহীত

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ হবে বিশেষ। সেবার বিশ্বকাপ আয়োজনের শতবর্ষ পূর্ণ হবে। ২৪ তম বিশ্বকাপের আয়োজক কারা হচ্ছে সেটা অনেক আগেই ঠিক হয়েছে। মূলত তিন আয়োজক—স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। সঙ্গে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে।

শতবর্ষী বিশ্বকাপ আয়োজনের অংশ হওয়ার সুযোগটা মূলত ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট হওয়ার জন্যই পাচ্ছে উরুগুয়ে-আর্জেন্টিনা।আর প্যারাগুয়ে পাচ্ছে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের সদর দপ্তর তাদের দেশে হওয়ায়। সে যাই হোক। ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজকদের মধ্যে বিরোধিতা শুরু হয়েছে। মরক্কোকে বিশ্বকাপের আয়োজক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্পেন।

এ নিয়ে স্পেনের পার্লামেন্টে আয়োজক হিসেবে মরক্কোর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্ষমতাসীন বামপন্থী জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা। তারা স্পেন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন মরক্কোকে যেন বাদ দিতে ফিফায় চিঠি লেখা হয়। এমন প্রস্তাবে নাকি পর্তুগিজ সরকারেরও সম্মতি আছে।এমন দাবির পেছনে কারণ হিসেবে কাজ করছে কদিন আগে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ভূখণ্ড সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে মানুষের ঢল নামা। পরে অবশ্য অধিকাংশ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে যান। তবে এ ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। 

স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ায় মরক্কোর মানব পাচারকারীরা। তারা প্রচার করে স্পেনে পৌঁছালেই মিলবে থাকার সুযোগ। এমনটা শোনার পরেই সেউতা সীমান্ত দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার মরোক্কান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র সাঁতারে প্রবেশ করেন স্পেনে। একটি দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি কতটা খারাপ হলে মানুষ এমনটা করেন এই অভিযোগ তুলে মরক্কোকে বাদ দেওয়ার দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন বামপন্থী জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা। একই অভিমত ব্যক্ত করেছে পর্তুগালের ক্ষমতাসীন লিবরা পার্টিও। পর্তুগাল সরকার ও পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের কাছে তারা চিঠি লিখেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২০৩০ বিশ্বকাপ: মরক্কোকে বাদ দেওয়ার সুর স্পেনে!

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ হবে বিশেষ। সেবার বিশ্বকাপ আয়োজনের শতবর্ষ পূর্ণ হবে। ২৪ তম বিশ্বকাপের আয়োজক কারা হচ্ছে সেটা অনেক আগেই ঠিক হয়েছে। মূলত তিন আয়োজক—স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। সঙ্গে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে।

শতবর্ষী বিশ্বকাপ আয়োজনের অংশ হওয়ার সুযোগটা মূলত ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট হওয়ার জন্যই পাচ্ছে উরুগুয়ে-আর্জেন্টিনা।আর প্যারাগুয়ে পাচ্ছে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের সদর দপ্তর তাদের দেশে হওয়ায়। সে যাই হোক। ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজকদের মধ্যে বিরোধিতা শুরু হয়েছে। মরক্কোকে বিশ্বকাপের আয়োজক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্পেন।

এ নিয়ে স্পেনের পার্লামেন্টে আয়োজক হিসেবে মরক্কোর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্ষমতাসীন বামপন্থী জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা। তারা স্পেন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন মরক্কোকে যেন বাদ দিতে ফিফায় চিঠি লেখা হয়। এমন প্রস্তাবে নাকি পর্তুগিজ সরকারেরও সম্মতি আছে।এমন দাবির পেছনে কারণ হিসেবে কাজ করছে কদিন আগে স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ভূখণ্ড সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে মানুষের ঢল নামা। পরে অবশ্য অধিকাংশ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে যান। তবে এ ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। 

স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ায় মরক্কোর মানব পাচারকারীরা। তারা প্রচার করে স্পেনে পৌঁছালেই মিলবে থাকার সুযোগ। এমনটা শোনার পরেই সেউতা সীমান্ত দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার মরোক্কান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র সাঁতারে প্রবেশ করেন স্পেনে। একটি দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি কতটা খারাপ হলে মানুষ এমনটা করেন এই অভিযোগ তুলে মরক্কোকে বাদ দেওয়ার দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন বামপন্থী জোটের তিনটি রাজনৈতিক দলের ডেপুটিরা। একই অভিমত ব্যক্ত করেছে পর্তুগালের ক্ষমতাসীন লিবরা পার্টিও। পর্তুগাল সরকার ও পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের কাছে তারা চিঠি লিখেছে।


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক মোহাম্মদ মহসীন প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত