দৃষ্টি প্রতিবেদক :
রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করা ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরার মৃত্যুর জন্য জাহের আলভীকে দায়ি করেছেন আত্মাহুতি দেওয়া ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। রবিবার (০১ মার্চ) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ সময় মর্গের বাইরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
ইকরার বাবা কবির হায়াত খান গণমাধ্যমকে জানান, মেয়ের বিয়ে শুরু থেকেই তার জন্য সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছিল, তখন আলভী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত। আমি ইকরাকে আলভীর সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইনি। আলভীর মায়ের কাছে আমি আমার মেয়েকে ভিক্ষা চেয়েছিলাম। বলেছিলাম, আপা, আমার মেয়েকে ভিক্ষা দেন।’ কিন্তু আলভী ও তার মা যোগসূত্র করে বিয়ে করিয়ে দেন। তখন সে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী, ইমম্যাচিউর ছিল। পরে পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলাম। তাদের একটি সন্তান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানতাম খারাপ কিছু হবে। মিডিয়ার মানুষ ভালো হয় না-এমন ধারণা ছিল আমার। ইকরা তার স্বামীকে নিয়ে খুব গর্ববোধ করত। কিন্তু আলভী আরেকটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে-এই কষ্টে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
ইকরার বাবা জানান, ঘটনার বিষয়ে আলভীর বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ময়নাতদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। বর্তমানে শোবিজ অঙ্গনে ইকরার মৃত্যু ও আলভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ও কৌতূহল তীব্র রয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
দৃষ্টি প্রতিবেদক :
রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করা ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরার মৃত্যুর জন্য জাহের আলভীকে দায়ি করেছেন আত্মাহুতি দেওয়া ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। রবিবার (০১ মার্চ) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ সময় মর্গের বাইরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
ইকরার বাবা কবির হায়াত খান গণমাধ্যমকে জানান, মেয়ের বিয়ে শুরু থেকেই তার জন্য সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছিল, তখন আলভী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত। আমি ইকরাকে আলভীর সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইনি। আলভীর মায়ের কাছে আমি আমার মেয়েকে ভিক্ষা চেয়েছিলাম। বলেছিলাম, আপা, আমার মেয়েকে ভিক্ষা দেন।’ কিন্তু আলভী ও তার মা যোগসূত্র করে বিয়ে করিয়ে দেন। তখন সে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী, ইমম্যাচিউর ছিল। পরে পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলাম। তাদের একটি সন্তান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানতাম খারাপ কিছু হবে। মিডিয়ার মানুষ ভালো হয় না-এমন ধারণা ছিল আমার। ইকরা তার স্বামীকে নিয়ে খুব গর্ববোধ করত। কিন্তু আলভী আরেকটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে-এই কষ্টে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
ইকরার বাবা জানান, ঘটনার বিষয়ে আলভীর বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ময়নাতদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। বর্তমানে শোবিজ অঙ্গনে ইকরার মৃত্যু ও আলভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ও কৌতূহল তীব্র রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন