উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা জয়পুরহাট এ জেলা ধান ও আলু চাষের জন্য বিখ্যাত তবে এবার সড়কের ওপর শুকাতে দেওয়া খড় কেড়ে নিল দুটি তাজা প্রাণ।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে রাস্তায় ছড়িয়ে রাখা ইরি ধানের খড়ে পিছলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১লা জুন) দুপুরে উপজেলার নিশ্চিন্তা-চানপাড়া সড়কের খড়িকাটা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন সম্পর্কে দুলাভাই ও শ্যালক। এঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা বোন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কালাই উপজেলার পূর্ব সরাইল গ্রামের তাজুল ইসলাম খন্দকারের ছেলে ইমন খন্দকার (২৮) এবং তাঁর শ্যালক হারুঞ্জা গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন (১২)। এ ঘটনায় ইমনের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্ত্রী ও শ্যালককে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে রওনা হন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি খড়িকাটা এলাকায় পৌঁছালে সড়কে শুকাতে দেওয়া খড়ের ওপর চাকা পিছলে গিয়ে তারা ছিটকে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইমন ও ফেরদৌস ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনের স্ত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চলতি ধান কাটার মৌসুমে ওই আঞ্চলিক সড়কসহ জেলার বেশিরভাগ সড়কেই নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে রাস্তা দখল করে ধান ও খড় শুকানো হচ্ছে। সড়কে শুকাতে দেওয়া এই খড়ের কারণেই মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল এবং এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল আলম দুর্ঘটনার মূল কারণ নিশ্চিত করে বলেন, রাস্তায় শুকাতে দেওয়া খড়ের কারণেই মোটরসাইকেলটি পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা জয়পুরহাট এ জেলা ধান ও আলু চাষের জন্য বিখ্যাত তবে এবার সড়কের ওপর শুকাতে দেওয়া খড় কেড়ে নিল দুটি তাজা প্রাণ।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে রাস্তায় ছড়িয়ে রাখা ইরি ধানের খড়ে পিছলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১লা জুন) দুপুরে উপজেলার নিশ্চিন্তা-চানপাড়া সড়কের খড়িকাটা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন সম্পর্কে দুলাভাই ও শ্যালক। এঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা বোন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কালাই উপজেলার পূর্ব সরাইল গ্রামের তাজুল ইসলাম খন্দকারের ছেলে ইমন খন্দকার (২৮) এবং তাঁর শ্যালক হারুঞ্জা গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন (১২)। এ ঘটনায় ইমনের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্ত্রী ও শ্যালককে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে রওনা হন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি খড়িকাটা এলাকায় পৌঁছালে সড়কে শুকাতে দেওয়া খড়ের ওপর চাকা পিছলে গিয়ে তারা ছিটকে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইমন ও ফেরদৌস ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনের স্ত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চলতি ধান কাটার মৌসুমে ওই আঞ্চলিক সড়কসহ জেলার বেশিরভাগ সড়কেই নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে রাস্তা দখল করে ধান ও খড় শুকানো হচ্ছে। সড়কে শুকাতে দেওয়া এই খড়ের কারণেই মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল এবং এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল আলম দুর্ঘটনার মূল কারণ নিশ্চিত করে বলেন, রাস্তায় শুকাতে দেওয়া খড়ের কারণেই মোটরসাইকেলটি পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন