ঢাকা    বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ব্যবসা ও বাড়ি-ঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ


প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ব্যবসা ও বাড়ি-ঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ

দৃষ্টি প্রতিবেদক :

পশ্চিমবঙ্গে থাকা মুসলমানদের ওপর বেপরোয়া হামলা করছে বিজেপি সমর্থিত হিন্দু সম্প্রদাদের নেতাকর্মীরা। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগের পরিবেশ। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, বিশেষ করে বিজেপি জয়ী কিছু এলাকায় মুসলিম ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। দোকান ভাঙচুর, লুটপাট, ভয়-ভীতি প্রদর্শনের এবং অগ্নিসংযোগ অভিযোগ করা হয়েছে।


বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারি সরাসরি মাঠে তার অনুসারি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে যখন বলেছেন, “মুসলমানরা তাকে ভোট দেননি। তিনি মুসলমানদের ভোটে নির্বাচিত হননি, মুসলমানদের কচুকাটার মতো কাটা হবে” এমন ব্ক্তব্যের পরই বিজেপির উশৃঙ্খল কর্মীরা মুসলমানদের ব্যবসা ও বাড়ি-ঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে বলে ব্যবসায়ীরা বলছেন।  আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তারপরও  পরিস্থিতি বিজেপি নেতাদের নিয়ন্ত্রণে। 

এবারের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুসলিম ভোটারদের একটি অংশের সমর্থনে এ পরিবর্তন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলেছে।

ভোটের আগেই ভোটার তালিকা থেকে বহু নাম বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছিল। আল জাজিরা-সহ কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দাবি করেছে, বাদ পড়া নামের একটি বড় অংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের। এই পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

“নির্বাচন-পরবর্তী এই সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। তবে সবেশষ প্রকৃত চিত্র কী, তা এখনো পরিস্কার না। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ব্যবসা ও বাড়ি-ঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

দৃষ্টি প্রতিবেদক :

পশ্চিমবঙ্গে থাকা মুসলমানদের ওপর বেপরোয়া হামলা করছে বিজেপি সমর্থিত হিন্দু সম্প্রদাদের নেতাকর্মীরা। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগের পরিবেশ। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, বিশেষ করে বিজেপি জয়ী কিছু এলাকায় মুসলিম ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। দোকান ভাঙচুর, লুটপাট, ভয়-ভীতি প্রদর্শনের এবং অগ্নিসংযোগ অভিযোগ করা হয়েছে।


বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারি সরাসরি মাঠে তার অনুসারি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে যখন বলেছেন, “মুসলমানরা তাকে ভোট দেননি। তিনি মুসলমানদের ভোটে নির্বাচিত হননি, মুসলমানদের কচুকাটার মতো কাটা হবে” এমন ব্ক্তব্যের পরই বিজেপির উশৃঙ্খল কর্মীরা মুসলমানদের ব্যবসা ও বাড়ি-ঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে বলে ব্যবসায়ীরা বলছেন।  আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তারপরও  পরিস্থিতি বিজেপি নেতাদের নিয়ন্ত্রণে। 

এবারের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুসলিম ভোটারদের একটি অংশের সমর্থনে এ পরিবর্তন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলেছে।

ভোটের আগেই ভোটার তালিকা থেকে বহু নাম বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছিল। আল জাজিরা-সহ কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দাবি করেছে, বাদ পড়া নামের একটি বড় অংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের। এই পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

“নির্বাচন-পরবর্তী এই সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। তবে সবেশষ প্রকৃত চিত্র কী, তা এখনো পরিস্কার না। 


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত