ঢাকা    শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

বিশ্বকাপের রঙে রাঙা বাংলাদেশ, নিজের ফুটবলে কেন বিবর্ণ?


প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বিশ্বকাপের রঙে রাঙা বাংলাদেশ, নিজের ফুটবলে কেন বিবর্ণ?

ইউসুফ প্রধান: ফিফা বিশ্বকাপ এলেই বদলে যায় বাংলাদেশের চেনা দৃশ্যপট। শহরের দেয়াল থেকে গ্রামের রাস্তা সবখানে উড়ে পতাকা। কোথাও ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ, কোথাও আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা। কোটি মানুষ মেতে ওঠে মেসি, নেইমার, রোনালদোদের জাদুতে। চার বছর পরপর বাংলাদেশ যেন ভাগ হয়ে যায় ছোট ছোট ফুটবল রাষ্ট্রে।

বিশ্বও অবাক হয়ে দেখে যে দেশের নিজের ফুটবল দল বিশ্বমঞ্চে নেই, সেই দেশের মানুষ কীভাবে এতটা আবেগ নিয়ে বিশ্বকাপ উদযাপন করে!

কিন্তু এই উন্মাদনার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক দীর্ঘশ্বাসের গল্প। যে জাতি ফুটবল ভালোবাসে, সেই জাতির নিজের ফুটবলই আজ সংগ্রামের পথে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন এখনো অনেক দূরের পথ। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য নেই। ২০০৩ সালের পর আর সাফের শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি লাল-সবুজের দল।

সমস্যাটা শুধু জাতীয় দলের মাঠের ফলাফলে নয়, এর প্রভাব পড়েছে পুরো ফুটবল সংস্কৃতিতে। একসময় যে স্টেডিয়ামগুলো দর্শকের গর্জনে কাঁপত, আজ সেখানে অনেক সময় দেখা যায় শূন্যতা।

যে ফুটবল একসময় মানুষের উৎসব ছিল

বাংলাদেশের ফুটবলের অতীত কিন্তু এমন ছিল না। এক সময় ঢাকা লিগ ছিল দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া বিনোদনের জায়গা। আবাহনী-মোহামেডানের ম্যাচ মানেই ছিল অন্যরকম উত্তেজনা। ম্যাচের আগে থেকেই শুরু হতো আলোচনা, তর্ক, সমর্থকদের লড়াই।

শুধু দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নয়—ভিক্টোরিয়া, ওয়ান্ডার্স, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, ওয়ারির মতো ক্লাবগুলোর খেলাও টানত হাজার হাজার দর্শক। টিকিটের জন্য চলত হাহাকার, মাঠে জায়গা পাওয়া ছিল কঠিন।

সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের ফুটবল ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সেই সময় উঠে এসেছিলেন কাজী সালাউদ্দিন, মোনেম মুন্না, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, আশরাফউদ্দিন চুন্নু, বাদল রায়ের মতো তারকারা।

জাতীয় দলও তখন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সম্মানজনক অবস্থানে ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। বদলে গেছে ফুটবলের বাস্তবতা।

দর্শক হারায়নি, হারিয়েছে বিশ্বাস

সাবেক জাতীয় ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলামের মতে, বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল থেকে দূরে সরে যায়নি। বরং ভালো ফুটবলের অভাবেই তারা মাঠ থেকে দূরে গেছে।

তার প্রশ্ন—যে মানুষ রাত জেগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা দেখে, সে কেন দেশের ফুটবল দেখবে না?

আসলামের মতে, মাঠে যদি মানসম্পন্ন খেলা ফিরে আসে, তাহলে দর্শকরাও আবার ফিরবে। তবে এজন্য প্রয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে পরিবর্তন।

জেলা পর্যায়ে নিয়মিত লিগ নেই, প্রতিভা খুঁজে বের করার ব্যবস্থা দুর্বল—এভাবেই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়েছে ফুটবলের ভিত্তি।

ছোট দেশ, বড় স্বপ্ন: কেপ ভার্দে-কুরাসাওয়ের শিক্ষা

বিশ্ব ফুটবলে এখন আলোচনায় কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ের মতো ছোট দেশগুলো। সীমিত জনসংখ্যা, ছোট অর্থনীতি—তারপরও তারা নিজেদের ফুটবল কাঠামো তৈরি করে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের তুলনায় তাদের সম্পদ অনেক কম। কিন্তু পরিকল্পনা, অবকাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি চিন্তাভাবনা তাদের এগিয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—তাহলে বাংলাদেশের সমস্যা কোথায়? উত্তর খুঁজলে বারবার সামনে আসে একই বিষয়—কাঠামোগত দুর্বলতা।

ফুটবলের জায়গায় যখন প্রাধান্য পায় অন্য কিছু

ফুটবল বিশ্লেষক আহমেদ শায়েক মনে করেন, বাংলাদেশের ফুটবলের বড় সংকট মাঠের বাইরে।

তার মতে, অনেক সময় ফুটবলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় পদ-পদবি, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা ব্যবসায়িক বিষয়।

তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত ফুটবল দেশগুলোতে আগে থাকে খেলা। এরপর আসে অন্য বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে ফুটবল থাকে পিছনের সারিতে।

এর ফল—দুর্বল অবকাঠামো, অনিয়মিত লিগ, ক্লাব সংস্কৃতির সংকট এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরির ঘাটতি।

প্রবাসীদের আগমনে নতুন আলো

তবু অন্ধকারের মধ্যেও কিছু আলো দেখা যাচ্ছে। ইউরোপে বেড়ে ওঠা হামজা চৌধুরী, সমিত সোম, ফাহামেদুল ইসলামদের মতো ফুটবলারদের আগমন নতুন আশা তৈরি করেছে। দর্শকদের মধ্যেও ফিরেছে কিছুটা আগ্রহ।

তবে বিশ্লেষকদের সতর্কতা—কয়েকজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় দিয়ে ফুটবলের ভবিষ্যৎ তৈরি হয় না। প্রয়োজন পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন।

বিশ্বকাপের আগে দরকার ঘরের মাঠ জয়

সিনিয়র সাংবাদিক সুদিপ্ত আনন্দের মতে, বিশ্বের ফুটবল উন্নত হয়েছে ক্লাব ও বয়সভিত্তিক কাঠামো শক্তিশালী করে।

বাংলাদেশকেও সেই পথেই হাঁটতে হবে। জেলা পর্যায়ের ফুটবল ফিরিয়ে আনতে হবে, যুব উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বিশ্বকাপ এখন ৪৮ দলের আসর হলেও বাংলাদেশের জন্য পথটা এখনো দীর্ঘ।

প্রথম লক্ষ্য হতে হবে সাফে আধিপত্য, এরপর এশিয়ায় শক্ত অবস্থান তৈরি করা। তারপর আসবে বিশ্বকাপের স্বপ্ন।


পরিবর্তনের অপেক্ষায় ফুটবলপাগল বাংলাদেশ

বাফুফের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট ও তরুণ খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ চলছে। তবে ফুটবলের উন্নয়ন যে সময়সাপেক্ষ, সেটিও স্বীকার করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন শুধু এই ভালোবাসাকে কি এবার সঠিক পথে কাজে লাগানো যাবে? নাকি প্রতি চার বছর পরপর অন্য দেশের পতাকা হাতে নিয়েই ফুটবল উৎসব করতে হবে?

কারণ বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল ভালোবাসে। এখন প্রয়োজন এমন একটি দল, এমন একটি কাঠামো যার জন্য একদিন পুরো দেশ নিজের পতাকা নিয়েই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


বিশ্বকাপের রঙে রাঙা বাংলাদেশ, নিজের ফুটবলে কেন বিবর্ণ?

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

ইউসুফ প্রধান: ফিফা বিশ্বকাপ এলেই বদলে যায় বাংলাদেশের চেনা দৃশ্যপট। শহরের দেয়াল থেকে গ্রামের রাস্তা সবখানে উড়ে পতাকা। কোথাও ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ, কোথাও আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা। কোটি মানুষ মেতে ওঠে মেসি, নেইমার, রোনালদোদের জাদুতে। চার বছর পরপর বাংলাদেশ যেন ভাগ হয়ে যায় ছোট ছোট ফুটবল রাষ্ট্রে।

বিশ্বও অবাক হয়ে দেখে যে দেশের নিজের ফুটবল দল বিশ্বমঞ্চে নেই, সেই দেশের মানুষ কীভাবে এতটা আবেগ নিয়ে বিশ্বকাপ উদযাপন করে!

কিন্তু এই উন্মাদনার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক দীর্ঘশ্বাসের গল্প। যে জাতি ফুটবল ভালোবাসে, সেই জাতির নিজের ফুটবলই আজ সংগ্রামের পথে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন এখনো অনেক দূরের পথ। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য নেই। ২০০৩ সালের পর আর সাফের শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি লাল-সবুজের দল।

সমস্যাটা শুধু জাতীয় দলের মাঠের ফলাফলে নয়, এর প্রভাব পড়েছে পুরো ফুটবল সংস্কৃতিতে। একসময় যে স্টেডিয়ামগুলো দর্শকের গর্জনে কাঁপত, আজ সেখানে অনেক সময় দেখা যায় শূন্যতা।

যে ফুটবল একসময় মানুষের উৎসব ছিল

বাংলাদেশের ফুটবলের অতীত কিন্তু এমন ছিল না। এক সময় ঢাকা লিগ ছিল দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া বিনোদনের জায়গা। আবাহনী-মোহামেডানের ম্যাচ মানেই ছিল অন্যরকম উত্তেজনা। ম্যাচের আগে থেকেই শুরু হতো আলোচনা, তর্ক, সমর্থকদের লড়াই।

শুধু দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নয়—ভিক্টোরিয়া, ওয়ান্ডার্স, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, ওয়ারির মতো ক্লাবগুলোর খেলাও টানত হাজার হাজার দর্শক। টিকিটের জন্য চলত হাহাকার, মাঠে জায়গা পাওয়া ছিল কঠিন।

সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের ফুটবল ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সেই সময় উঠে এসেছিলেন কাজী সালাউদ্দিন, মোনেম মুন্না, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, আশরাফউদ্দিন চুন্নু, বাদল রায়ের মতো তারকারা।

জাতীয় দলও তখন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সম্মানজনক অবস্থানে ছিল। কিন্তু সময় বদলেছে। বদলে গেছে ফুটবলের বাস্তবতা।

দর্শক হারায়নি, হারিয়েছে বিশ্বাস

সাবেক জাতীয় ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলামের মতে, বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল থেকে দূরে সরে যায়নি। বরং ভালো ফুটবলের অভাবেই তারা মাঠ থেকে দূরে গেছে।

তার প্রশ্ন—যে মানুষ রাত জেগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা দেখে, সে কেন দেশের ফুটবল দেখবে না?

আসলামের মতে, মাঠে যদি মানসম্পন্ন খেলা ফিরে আসে, তাহলে দর্শকরাও আবার ফিরবে। তবে এজন্য প্রয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে পরিবর্তন।

জেলা পর্যায়ে নিয়মিত লিগ নেই, প্রতিভা খুঁজে বের করার ব্যবস্থা দুর্বল—এভাবেই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়েছে ফুটবলের ভিত্তি।

ছোট দেশ, বড় স্বপ্ন: কেপ ভার্দে-কুরাসাওয়ের শিক্ষা

বিশ্ব ফুটবলে এখন আলোচনায় কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ের মতো ছোট দেশগুলো। সীমিত জনসংখ্যা, ছোট অর্থনীতি—তারপরও তারা নিজেদের ফুটবল কাঠামো তৈরি করে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের তুলনায় তাদের সম্পদ অনেক কম। কিন্তু পরিকল্পনা, অবকাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি চিন্তাভাবনা তাদের এগিয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—তাহলে বাংলাদেশের সমস্যা কোথায়? উত্তর খুঁজলে বারবার সামনে আসে একই বিষয়—কাঠামোগত দুর্বলতা।

ফুটবলের জায়গায় যখন প্রাধান্য পায় অন্য কিছু

ফুটবল বিশ্লেষক আহমেদ শায়েক মনে করেন, বাংলাদেশের ফুটবলের বড় সংকট মাঠের বাইরে।

তার মতে, অনেক সময় ফুটবলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় পদ-পদবি, ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা ব্যবসায়িক বিষয়।

তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত ফুটবল দেশগুলোতে আগে থাকে খেলা। এরপর আসে অন্য বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে ফুটবল থাকে পিছনের সারিতে।

এর ফল—দুর্বল অবকাঠামো, অনিয়মিত লিগ, ক্লাব সংস্কৃতির সংকট এবং নতুন খেলোয়াড় তৈরির ঘাটতি।

প্রবাসীদের আগমনে নতুন আলো

তবু অন্ধকারের মধ্যেও কিছু আলো দেখা যাচ্ছে। ইউরোপে বেড়ে ওঠা হামজা চৌধুরী, সমিত সোম, ফাহামেদুল ইসলামদের মতো ফুটবলারদের আগমন নতুন আশা তৈরি করেছে। দর্শকদের মধ্যেও ফিরেছে কিছুটা আগ্রহ।

তবে বিশ্লেষকদের সতর্কতা—কয়েকজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় দিয়ে ফুটবলের ভবিষ্যৎ তৈরি হয় না। প্রয়োজন পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন।

বিশ্বকাপের আগে দরকার ঘরের মাঠ জয়

সিনিয়র সাংবাদিক সুদিপ্ত আনন্দের মতে, বিশ্বের ফুটবল উন্নত হয়েছে ক্লাব ও বয়সভিত্তিক কাঠামো শক্তিশালী করে।

বাংলাদেশকেও সেই পথেই হাঁটতে হবে। জেলা পর্যায়ের ফুটবল ফিরিয়ে আনতে হবে, যুব উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বিশ্বকাপ এখন ৪৮ দলের আসর হলেও বাংলাদেশের জন্য পথটা এখনো দীর্ঘ।

প্রথম লক্ষ্য হতে হবে সাফে আধিপত্য, এরপর এশিয়ায় শক্ত অবস্থান তৈরি করা। তারপর আসবে বিশ্বকাপের স্বপ্ন।


পরিবর্তনের অপেক্ষায় ফুটবলপাগল বাংলাদেশ

বাফুফের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট ও তরুণ খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ চলছে। তবে ফুটবলের উন্নয়ন যে সময়সাপেক্ষ, সেটিও স্বীকার করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন শুধু এই ভালোবাসাকে কি এবার সঠিক পথে কাজে লাগানো যাবে? নাকি প্রতি চার বছর পরপর অন্য দেশের পতাকা হাতে নিয়েই ফুটবল উৎসব করতে হবে?

কারণ বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল ভালোবাসে। এখন প্রয়োজন এমন একটি দল, এমন একটি কাঠামো যার জন্য একদিন পুরো দেশ নিজের পতাকা নিয়েই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়াতে পারে।


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত