ঢাকা    শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক দৃষ্টি

সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩



সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি আবাসিক ভবনে সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)।
বুধবার (১ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফ্রি স্কুল স্ট্রিট বক্স কালভার্ট রোডের আবুল বাশারের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা ফার্নিচার ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন রাজিব জানান, ওই তিন যুবক পান্থপথে ভিন্ন ভিন্ন ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী।
তবে তার পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় দুই বন্ধু রানা ও পারভেজকে বুধবার রাতে বাসায় নিয়ে গিয়েছিল সে। এরপর সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি জানান, ৭ তলা বাড়িটির নিচতলায় জুয়েলের পরিবার যেই বাসাটিতে থাকেন, সেই বাসার নিচেই সেপটিক ট্যাংক। তাদের রুমের ফ্লোরটি সব সময় অতিরিক্ত গরম হয়ে থাকত। এটি তার পরিবার বাড়িওয়ালাকে জানিয়েছিল। কিন্তু গুরুত্ব দেয়নি বাড়িওয়ালা।
এ ছাড়া বাড়ির পাশ দিয়ে যাতায়াতের প্রায় সময় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। ধারণা করা হচ্ছে, সেই গ্যাস রুমের ভেতরে জমে ছিল। রাতে তারা দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়েছে।
ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা জানান, রানার শরীরের ৬৩ শতাংশ, জুয়েলের ৩০ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। রানাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক দৃষ্টি

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর কাঁঠালবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি আবাসিক ভবনে সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)।
বুধবার (১ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফ্রি স্কুল স্ট্রিট বক্স কালভার্ট রোডের আবুল বাশারের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা ফার্নিচার ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন রাজিব জানান, ওই তিন যুবক পান্থপথে ভিন্ন ভিন্ন ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী।
তবে তার পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় দুই বন্ধু রানা ও পারভেজকে বুধবার রাতে বাসায় নিয়ে গিয়েছিল সে। এরপর সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি জানান, ৭ তলা বাড়িটির নিচতলায় জুয়েলের পরিবার যেই বাসাটিতে থাকেন, সেই বাসার নিচেই সেপটিক ট্যাংক। তাদের রুমের ফ্লোরটি সব সময় অতিরিক্ত গরম হয়ে থাকত। এটি তার পরিবার বাড়িওয়ালাকে জানিয়েছিল। কিন্তু গুরুত্ব দেয়নি বাড়িওয়ালা।
এ ছাড়া বাড়ির পাশ দিয়ে যাতায়াতের প্রায় সময় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। ধারণা করা হচ্ছে, সেই গ্যাস রুমের ভেতরে জমে ছিল। রাতে তারা দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়েছে।
ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা জানান, রানার শরীরের ৬৩ শতাংশ, জুয়েলের ৩০ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। রানাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।


দৈনিক দৃষ্টি

প্রকাশক ও সম্পাদক ম‌হিউদ্দিন শিবলী ও মোহাম্মদ মহসীন
প্রধান বার্তা সম্পাদক মোকাররম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত