দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও বাস্তব চিত্র বলছে—স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে জেলা ও অঞ্চলভেদে এখনো বড় ধরনের বৈষম্য রয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক বিবিএস জরিপে এই ব্যবধানের পাশাপাশি কোথায় ব্যবহার বেশি আর কোথায় কম, তার স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী দেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়লেও অঞ্চলভেদে এখনো উল্লেখযোগ্য বৈষম্য বিদ্যমান। এতে দেখা যায়, স্মার্টফোন ব্যবহারে সবচেয়ে এগিয়ে ফেনী জেলা, এরপর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর অবস্থান করছে; অন্যদিকে গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, শেরপুর, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।
জরিপে আরও বলা হয়, তরুণদের মধ্যে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি অনুসন্ধান করা হয় সরকারি চাকরির তথ্য (৬৪.২%) এবং এরপর রয়েছে খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয় (৪৯.৮%), পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় ৭২.৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করে।
তবে শহর ও গ্রামের মধ্যে ব্যবহারে বড় ফারাক রয়েছে—শহরে ৭৫.৭ শতাংশ আর গ্রামে ৪৩.৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে, আর পরিবারভিত্তিক ব্যবহারে ঢাকায় সর্বোচ্চ (৬৫.৪%) এবং ময়মনসিংহে সর্বনিম্ন (৩৭.৮%) দেখা গেছে, যা দেশের ডিজিটাল ব্যবহারে স্পষ্ট বৈষম্যকে তুলে ধরে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও বাস্তব চিত্র বলছে—স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে জেলা ও অঞ্চলভেদে এখনো বড় ধরনের বৈষম্য রয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক বিবিএস জরিপে এই ব্যবধানের পাশাপাশি কোথায় ব্যবহার বেশি আর কোথায় কম, তার স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী দেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়লেও অঞ্চলভেদে এখনো উল্লেখযোগ্য বৈষম্য বিদ্যমান। এতে দেখা যায়, স্মার্টফোন ব্যবহারে সবচেয়ে এগিয়ে ফেনী জেলা, এরপর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর অবস্থান করছে; অন্যদিকে গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, শেরপুর, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।
জরিপে আরও বলা হয়, তরুণদের মধ্যে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি অনুসন্ধান করা হয় সরকারি চাকরির তথ্য (৬৪.২%) এবং এরপর রয়েছে খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয় (৪৯.৮%), পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় ৭২.৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করে।
তবে শহর ও গ্রামের মধ্যে ব্যবহারে বড় ফারাক রয়েছে—শহরে ৭৫.৭ শতাংশ আর গ্রামে ৪৩.৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে, আর পরিবারভিত্তিক ব্যবহারে ঢাকায় সর্বোচ্চ (৬৫.৪%) এবং ময়মনসিংহে সর্বনিম্ন (৩৭.৮%) দেখা গেছে, যা দেশের ডিজিটাল ব্যবহারে স্পষ্ট বৈষম্যকে তুলে ধরে।

আপনার মতামত লিখুন