বিয়ের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় সংগীতশিল্পী মইনুল আহসান নোবেল এর জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুজ্বামান নিশান (প্রিন্স)। তিনি জানান, জামিনের শর্ত হিসেবে বাদীর সঙ্গে আপসের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পালন করেননি নোবেল। বিয়ের আশ্বাস দিলেও জামিনে মুক্তির পর তা বাস্তবায়ন করেননি এবং নেওয়া অর্থও ফেরত দেননি।
এ কারণে আদালতে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপসের শর্তে তাকে অস্থায়ীভাবে জামিন দেন। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শবনম রোজ নামে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন নোবেল। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা গ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে অর্থ ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
২০২৫ সালের আগস্টে মামলাটি দায়ের হলে আদালত তদন্তের দায়িত্ব দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে। তদন্ত শেষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাখিল করা প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও আরেকটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় বিয়ে করার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন নোবেল।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় সংগীতশিল্পী মইনুল আহসান নোবেল এর জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুজ্বামান নিশান (প্রিন্স)। তিনি জানান, জামিনের শর্ত হিসেবে বাদীর সঙ্গে আপসের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পালন করেননি নোবেল। বিয়ের আশ্বাস দিলেও জামিনে মুক্তির পর তা বাস্তবায়ন করেননি এবং নেওয়া অর্থও ফেরত দেননি।
এ কারণে আদালতে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আপসের শর্তে তাকে অস্থায়ীভাবে জামিন দেন। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শবনম রোজ নামে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন নোবেল। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা গ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে অর্থ ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
২০২৫ সালের আগস্টে মামলাটি দায়ের হলে আদালত তদন্তের দায়িত্ব দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে। তদন্ত শেষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাখিল করা প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও আরেকটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় বিয়ে করার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন নোবেল।

আপনার মতামত লিখুন